Archives March 2023

গাড়ীর যত্নে মাস্টার 7 রুলস

গাড়ি কেনার পর রক্ষণাবেক্ষণের পেছনে ব্যয় হয় অনেকখানি শ্রম ও সময়। তবে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করা গাড়ির আয়ু বাড়ানোর সাথে সাথে বিভিন্ন সমস্যার সম্ভাবনা ও কমে যায়। এই কাজের জন্য নিম্নোক্ত টিপসগুলি অনুসরণ করা উচিত:

১. গাড়ি রাখার স্থান: গাড়ির রাখার জায়গা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গাড়ির জন্য প্রথমেই সঠিক স্থান খুঁজে নেওয়া উচিত। যদি আপনার কাছে ঘরে গাড়ি রাখার জন্য স্থান না থাকে, তবে সার্ভিসিং কেন্দ্রে রাখা ভাল।

২. পরিবহন ও সংরক্ষণ: গাড়ি পরিবহন করার সময় যত্ন জরুরী। যখন গাড়ি পরিবহন করছেন, তখন চেক করে নিন গাড়ির সব পার্টস ঠিকঠাক আছে কি না।

৩. রেগুলার সার্ভিসিং ও মেইনটেনেন্স করুন: আপনার গাড়ির নিরাপত্তার জন্য রেগুলারভাবে সার্ভিসিং ও মেইনটেনেন্স করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সার্ভিসিং সময়ে গাড়ির সিস্টেমগুলো নির্দিষ্ট পরিমাণ তরল ও তরল গ্যাস পরিষ্কার করা দরকার যাতে আপনার গাড়ি একটি স্বাস্থ্যকর লংটেবিটে বজায় রাখবে।

৪. লাইট চেক করুন: গাড়ির লাইটগুলো নিরাপদভাবে কাজ করছে তা নিশ্চিত করুন। কারণ নাকি অস্পষ্ট লাইট যেকোন দুর্ঘটনার কারণে আপনার ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জীবন ঝুকির মুখে ঠেলে দেয়।

৫. গাড়ির ইঞ্জিন ও ব্রেকসমূহ নিয়মিত চেক করুন: গাড়ির সঠিকভাবে চলার জন্য ইঞ্জিন ও ব্রেকসমূহ সঠিকভাবে কাজ করতে হয়। ইঞ্জিন ও ব্রেকসমূহ নিয়মিত চেক করে সেগুলো পরিষ্কার রাখলে অনেক সমস্যা থেকে বাঁচতে পারেন।

৬. ইঞ্জিনের তেল নিয়মিত বদলান: গাড়ির ইঞ্জিন ভালো রাখতে প্রতি ৩ মাস অন্তর অথবা ৩০০০ মাইল চালানোর পর গাড়ির তেল বদলাতে হয়। গাড়িতে ভেইকেল ট্র‍্যাকার ব্যবহারের সাহায্যে গাড়ির যাবতীয় তথ্য (জ্বালানি খরচ, ফুয়েল কতটুকু ব্যয় হচ্ছে, কতটুকু রিফিল হচ্ছে) রিপোর্ট আকারে পাওয়া যায়। গাড়ি চলার সময় অসংখ্য রকম তরল পদার্থ এর সাথে সম্পর্ক হতে পারে। যেমন- ইঞ্জিনে তরল পদার্থ, রেডিয়েটর পানি ইত্যাদি। এগুলো নিয়মিত চেক করে আপনি সেগুলো সঠিকভাবে রাখতে পারবেন।

৭. টায়ারের চাপ নিয়মিত চেক করুন: গাড়ির টায়ার চাপ সঠিক রাখলে দুর্ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনা কম হয়। টায়ারের চাপ নিয়মিত চেক করে আপনি যে সমস্যা গুলো থাকলে সেগুলো সঠিকভাবে সমাধান করতে পারেন।

উপরের টিপসগুলো মেনে চললে শুধু  আপনার গাড়ির যত্ন ই নয়; আপনার নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও কাজে দেবে।